


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালি-ঝুলিতে ঢাকা রান্নাঘর। মেঝেতে জমে তেলের আস্তরণ। এক পাশে মশলা, তেল ও কাঁচামালের স্তূপ। খাবার রাখার ফ্রিজেও পরিচ্ছন্নতার অভাব। খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে সামনে এসেছিল এমনই নানা ছবি। এবার সেই ছবিই বদলাচ্ছে। শুধু অভিযানে বন্ধ হয়ে যাওয়া হোটেল-রেস্তরাঁ নয়, উত্তর ২৪ পরগনা ও বসিরহাট, দুই স্বাস্থ্যজেলার খাবারের দোকানগুলিতে এখন দেখা যাচ্ছে বাড়তি সতর্কতা। কোথাও শুরু হয়েছে সংস্কার। কোথাও বদলানো হচ্ছে সরঞ্জাম। কোথাও খাবার মজুতের পদ্ধতিই নতুন করে সাজানো হচ্ছে।
সম্প্রতি খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে একাধিক হোটেল, রেস্তরাঁয় অনিয়ম ধরা পড়ে। মোট ৫২৫টি দোকান, হোটেল, রেস্তরাঁ, মিষ্টির দোকান এবং বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে হানা দেন অফিসাররা। তার মধ্যে ৭০টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৪টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল ও ১৫টির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে বসিরহাট স্বাস্থ্যজেলায় ৩৫০টি ছোট ও বড়ো দোকানে অভিযান চালায় খাদ্যসুরক্ষা দপ্তর। তার মধ্যে ১১টির লাইসেন্স বাতিল করে তা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। আর দুটি দোকানে খাবার বিক্রি না করে সাময়িক দোকান বন্ধ রাখতে বলা হয়। সব মিলিয়ে বসিরহাটে ১৩টি দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দপ্তর। এর পরই রান্নার জায়গা থেকে খাবার সংরক্ষণ– সবকিছুই নতুন করে সাজিয়ে তুলছেন ব্যবসায়ীরা।