


চণ্ডীগড়: কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করছিলেন প্রাক্তন প্রেমিকা। পিছন থেকে এসে আচমকা ছুরির কোপ। সহকর্মীরা বাঁচাতে এলে তাদের দিকেই ছুরি নিয়ে তেড়ে যান যুবক। এখানেই শেষ নয়। তরুণীকে মেঝেতে ফেলে ২০ বার এলোপাথাড়িভাবে কোপ মারেন। রক্তাক্ত মেঝে। যন্ত্রণায় ছটফট করছেন তরুণী। এমন সময় নিজের গলায় ছুরি চালাতে শুরু করেন যুবক। প্রায় ৩০ বার। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ডিম্পল নামে ওই তরুণীর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অভিযুক্ত যুবক হরবিন্দর মান ওরফে হ্যারি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এমনই হাড়হিম ঘটনার সাক্ষী থাকল পাঞ্জাবের মোহালি। অফিসের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই দৃশ্য। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সম্প্রতি যুগলের সম্পর্ক ভেঙে যায়। জানা গিয়েছে, সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই প্রাক্তনের উপর চড়াও হন যুবক।
প্রায় তিন বছর ধরে একটি কুরিয়ার কোম্পানিতে কাজ করেন হ্যারি ও ডিম্পল। প্রথমে বন্ধুত্ব। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সবই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু দিনকয়েক আগে কোনো কারণে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। সূত্রের খবর, ডিম্পলকে বারবার বুঝিয়ে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন হ্যারি। কিন্তু ডিম্পল রাজি হয়নি। এনিয়ে প্রায়শই ঝামেলা চলত। বেশ কয়েকদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন হ্যারি। বৃহস্পতিবার ঝামেলা চরমে ওঠে। তারপরই সন্ধ্যায় অফিসে ঢুকে তরুণীর উপর হামলা চালান যুবক। নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।