


মুম্বই: রোহিত শর্মা বনাম বিরাট কোহলি। রবিবার সন্ধ্যায় আরব সাগরের পাড়ে মুখোমুখি হবেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মহাতারকা। চলতি আসরে তিন ম্যাচে প্রায় ১৮০ স্ট্রাইক রেটে ১২৯ রান করেছেন বিরাট। অন্যদিকে, রোহিতের ব্যাটে ১৬৯.৫৭ স্ট্রাইক রেটে এসেছে ১১৮। দু’জনেই রয়েছেন রানের মধ্যে। চেজমাস্টার বনাম হিটম্যানের দ্বৈরথ ঘিরে বাণিজ্যনগরীতে উন্মাদনার পারদ তুঙ্গে। আগ্রহ থাকছে আরও একটা ডুয়েল নিয়েও। আর সেটা কোহলির সঙ্গে যশপ্রীত বুমরাহর।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু— উভয় দলই হেরেছে শেষ ম্যাচে। তিন ম্যাচে আরসিবি’র পকেটে ৪ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে মুম্বইয়ের ঝুলিতে মাত্র ২ পয়েন্ট। এবারের আভিযানের শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দল। ওয়াংখেড়েতে সেই ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়েছিল মুম্বই। কিন্তু পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা পরের দুটো অ্যাওয়ে ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হেরেছে। তার জেরে নেট রানরেট মাইনাসে চলে গিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতে মুম্বইয়ের চিন্তা বাড়াচ্ছে মিডল অর্ডার। তিলক ভার্মা ফর্ম হাতছাচ্ছেন। সূর্যকুমার যাদবও চেনা ছন্দে নেই। তিন ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৭৩। ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়া এখনও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ।
তুলনায় বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং অনেক বেশি ধারাবাহিক। দুশো প্লাস স্কোর নিয়মিত তুলছে তারা। বিরাট ছাড়াও দেবদূত পাদিক্কাল, ক্যাপ্টেন রজত পাটীদার, টিম ডেভিড বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের নমুনা রেখেছেন। একমাত্র ফিল সল্ট ফর্মে নেই। শুক্রবার ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে নেমে বেঙ্কটেশ আয়ারও অবদান রেখেছেন। ব্যাটিং-সহায়ক পিচে বড় রান তোলার ক্ষমতা আছে তাঁর। তবে ক্লান্তি থাবা বসাতে পারে ভুনবনেশ্বর কুমার, জস হ্যাজলউডদের পারফরম্যান্সে। শুক্রবার গুয়াহাটিতে বৈভব সুর্যবংশীর তাণ্ডবের রেশ কাটার আগেই নেমে পড়তে হচ্ছে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। হ্যাজলউডের ফিরে আসা নিশ্চিতভাবেই ধারালো করেছে বেঙ্গালুরুর বোলিং। অন্যদিকে, বুমরাহ তো আছেনই, ট্রেন্ট বোল্ট, দীপক চাহার, শার্দূল ঠাকুর, মিচেল স্যান্টনারদের উপস্থিতিও বৈচিত্র্য বাড়িয়েছে।