


আমেদাবাদ: ক্রিকেট সার্কিটে চোকার্স কারা? এতদিন পর্যন্ত একাই তকমা বয়ে বেড়িয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। আমেদাবাদে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর কিউয়িরাও তালিকায় ঢুকে পড়ল বলে। ২০২১ সালে কুড়ি-কুড়ি বিশ্বকাপের ফাইনালে অজিদের বাগে পেয়েও ব্যর্থ হয় নিউজিল্যান্ড। পাঁচ বছর পর আমেদাবাদেও কার্যত আত্মসমর্পণ স্যান্টনারদের। চাপের মুখে ইস্পাতকঠিন নার্ভ কোথায়? বেতের মতো নুইয়ে পড়া দেখে অবাক বিশেষজ্ঞরাও। এখানেই শেষ নয়। ২০১৫ ও ২০১৯ সালের ওডিআই বিশ্বকাপেও তো একই দশা। মার্টিন ক্রো, গ্রেটব্যাচদের উত্তরসূরিরা সারা বছর পড়াশোনা করেন। কিন্তু পরীক্ষার মেগা আসরে তার বাস্তবায়ন কোথায়? টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেও বদনাম ঘোচাতে তা যথেষ্ট নয়। তবে অধিনায়ক স্যান্টনার দল নিয়ে গর্বিত। ম্যাচের পর কিউয়ি অধিনায়কের মন্তব্য, ‘গোটা টুর্নামেন্টে সতীর্থরা উজাড় করে দিয়েছে। শুধু একটা ম্যাচ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। প্রতিটা বিভাগে টেক্কা দিয়েছে ভারত।’
হতাশা ভুলে ২০২৭ সালের একদিনের বিশ্বকাপ টার্গেট করতে চান কিউয়ি ক্যাপ্টেন। কিন্তু তাঁর অধিনায়কত্বও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক ভুল। পিচ চিনতে পারেননি স্যান্টনার। বোলিং পরিবর্তনও একেবারেই সাদামাটা। পাওয়ার প্লে’তে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপের প্রেসার কুকারে ঢুকে পড়েছিল ব্ল্যাক ক্যাপসরা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো আর সম্ভব হয়নি।