


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কমার্শিয়াল পার্টনার চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি নিল ফেডারেশন। আইএসএল ও ফেডারেশন কাপের জন্য দুটি সংস্থা দরপত্র জমা দিয়েছিল। ২০ বছরের মেয়াদে জিনিয়াস স্পোর্টস দর হাঁকে ২১২৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ১৯০০ কোটি টাকা লগ্নির প্রস্তাব দেয় ফ্যান কোড। শেষ পর্যন্ত কাদের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে, তা ঠিক হওয়ার কথা ছিল রবিবার। জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী সমিতির বৈঠক ডেকেছিল সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। কিন্তু এদিন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি তারা। এআইএফএফের তরফে জানানো হয়, দু’টি বাণিজ্যিক সংস্থার দরপত্র খুঁটিয়ে দেখতে আরও সময় প্রয়োজন। ফেডারেশন নিযুক্ত গ্লোবাল সংস্থা কেপিএমজি বিষয়টি মূল্যায়ন করবে। এরপর ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর তা ফেডারেশনের সাধারণ সভায় পেশ করা হবে। অর্থাৎ টার্মশিট সই করার আগে আরও সময় চায় এআইএফএফ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফেডারেশনের সঙ্গে এফএসডিএলের চুক্তি শেষ হয়। চলতি মরশুমে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে আইএসএল আয়োজিত হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘকালীন রোডম্যাপ তৈরি করতে নতুন কমার্শিয়াল পার্টনার জরুরি।
রবিবার ফেডারেশনের বৈঠকের দিকে নজর ছিল ফুটবল প্রেমীদের। অনেকেই আশা করেছিলেন, নাম ঘোষণা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু তা হয়নি। আসলে শনিবার ফেডারেশনকে দীর্ঘ ই-মেল করেন ক্লাব জোটের কর্তারা। লাভের অংকটা পরিষ্কারভাবে বুঝে নিতে চাইছেন তাঁরা। অর্থাৎ নতুন ডিলে তাঁদের আদৌ কোনও লাভ হবে সেটা যাচাই করাই প্রধান লক্ষ্য। চলতি মরশুমে আইএসএল আয়োজন নিয়েও একটা সময় জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় ফেডারেশনের। শেষ পর্যন্ত জট কাটাতে আসরে নামেন খোদ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। অনেকেরই ধারণা, তিনি কড়া অবস্থান না নিলে বল গড়ানো ছিল অসম্ভব। কিন্তু কমার্শিয়াল পার্টনার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এখনই কোনও সংঘাতে যেতে নারাজ সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। পাশাপাশি আইনি জটিলতা এড়ানোও লক্ষ্য। তাই আগ্রহী দুই বিডারের সঙ্গে ক্লাব কর্তাদের আলোচনার ব্যবস্থা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ থাকছে জোট কর্তাদের সামনে।