


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে শততম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার। কল্যাণীতে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে মাইলস্টোনের ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে ২৭ রানের বেশি আসেনি। তবে অনুষ্টুপের জন্য সাজানো মঞ্চে আলো ছড়ালেন সুদীপ চ্যাটার্জি। চোট থেকে ফিরেই দুরন্ত শতরান হাঁকালেন বঙ্গ ওপেনার। সেই সুবাদে বাংলাও দাপট দেখাচ্ছে। প্রথম দিনের শেষে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দলের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৪০। ১২টি চার ও ১টি ছক্কা সহ ২২৬ বলে ১৪০ রানে ব্যাট করছেন সুদীপ। সঙ্গে রয়েছেন সুমন্ত গুপ্ত (ব্যাটিং ৩১)।
সৈয়দ মুস্তাক আলি ও বিজয় হাজারে ট্রফিতে চূড়ান্ত ব্যর্থ বাংলা। তবে রনজি ট্রফিতে ছন্দ ধরে রেখেছে বঙ্গ ব্রিগেড। বৃহস্পতিবার কল্যাণীতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সার্ভিসেসের অধিনায়ক রজত পালিওয়াল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলার শুরুটা দুর্দান্ত করেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও সুদীপ চ্যাটার্জি। ওপেনিং জুটিতে ১৫১ ওঠে। রান আউট না হলে অভিমন্যুও সেঞ্চুরি পেতে পারতেন। ১৫২ বলে তাঁর ৮১ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি চার ও ১টি ছক্কা। তবে সুদীপ কোনও ভুল করেননি। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছনোর পরও দলকে টানছেন। তিনে নামা সুদীপ ঘরামি (৯) অবশ্য চূড়ান্ত ব্যর্থ। শততম ম্যাচে অনুষ্টুপ (২৭) শুরুটা ভালো করলেও বড় রান পাননি। শাহবাজের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। দিনের শেষে সুদীপ চ্যাটার্জি বলছিলেন, ‘চোট থেকে ফিরেই সেঞ্চুরি পাওয়া সত্যিই স্পেশাল। প্রথম ইনিংসে স্কোরবোর্ড যতটা সম্ভব বাড়িয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলাই লক্ষ্য থাকবে।’
এদিকে, ব্যাট হাতে শুভমান গিলের দুঃসময় শেষ হচ্ছেই না। রনজিতেও চরম হতাশা তাড়া করল তাঁকে। বৃহস্পতিবার সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে খাতাই খুলতে পারলেন না ভারত অধিনায়ক। তাঁর দল পাঞ্জাবও ১৩৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছে। অথচ সৌরাষ্ট্রের প্রথম ইনিংস ১৭২ রানে শেষ হওয়ার পর মনে হয়েছিল, গিলের কাঁধে ভর করে বড় লিড নেবে পাঞ্জাব। তা তো হয়নি, উল্টে ৩৩ রান আগেই থেমে গিয়েছে তারা। উল্লেখ্য, গিলের মতোই হতাশ করেছেন সৌরাষ্ট্রের তারকা রবীন্দ্র জাদেজা। ৭ রানে আউট হন তিনি। তবে বল হাতে তুলে নিয়েছেন দু’টি উইকেট।