


লন্ডন: যাত্রা শুরুর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আমেদাবাদে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডনগামী বোয়িং ড্রিমলাইনার। গত ১২ জুনের সেই বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র বেঁচে ফিরেছিলেন বিশ্বাসকুমার রমেশ। সাড়ে চার মাস পরে ৩৯ বছরের সেই রমেশই বলছেন, ‘আমার সব গিয়েছে।’ হাঁটাচলায় কষ্ট হয়। গাড়ি চালাতে পারেন না। টাকাপয়সাও নেই। ব্রিটেনের লেস্টারে কার্যত গৃহবন্দি তিনি। আর্থিক টানাপোড়েন তো রয়েইছে। শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিধ্বস্ত রমেশ জানিয়েছেন দুর্ঘটনা পরবর্তী অভিজ্ঞতার কথা। ওই বিমান দুর্ঘটনায় রমেশের ভাই অজয়কুমার মারা যান। রমেশ ফিরে গিয়েছিলেন ব্রিটেনে। সেখানেই রয়েছেন তিনি। তবে ব্রিটেনের সরকারি মনোরোগ কেন্দ্রের পরিষেবা পাননি। রমেশদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় ভারতীয় সম্প্রদায়ের নেতা সঞ্জীব প্যাটেল এবং উপদেষ্টা র্যাড সিগার। তাঁরা জানান, রমেশদের সহায়তায় ব্যবস্থা নেয়নি এয়ার ইন্ডিয়া এবং ব্রিটিশ প্রশাসন। বৈঠকও এড়িয়ে যাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। তবে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, টাটা গ্রুপের তরফে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। খুব শীঘ্র রমেশের সঙ্গেও আলোচনা হবে।