


নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ইউনুস সরকারের আমলে অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। সেদেশে ভারত বিরোধী শক্তি মাথা তুলছে। হিংসার ঘটনাও ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে চাল পাঠাতে ভরসা পাচ্ছে না এরাজ্যের ব্যবসায়ীরা। বেশ কিছুদিন ধরেই চাল পাঠানো বন্ধ রয়েছে। টানা এই অবস্থা চলতে থাকলে বাংলাদেশীদের ভাতে টান পড়বে। এখন সেদেশেও মাঠ থেকে চাষিরা ধান তুলেছেন। সেই কারণে আপাতত কয়েকটা দিন সমস্যা না হলেও ভবিষ্যতে এই অবস্থা চলতে থাকলে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন জোগাড় করা তাদের দায় হয়ে উঠবে। এমনটাই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি না হলে শুধু এরাজ্য নয়, দেশের কোনও ব্যবসায়ী চাল পাঠাতে রাজি হবেন না। তবেই বাংলাদেশ মাথানত করতে বাধ্য হবে। এর আগেও তারা লম্ফঝম্প করেছিল। তারপরও ইউনুস সরকার চাল পাঠানোর জন্য দিল্লির কাছে আবেদন করে। সেই মতো প্রায় ১২ লক্ষ মেট্রিক টন চাল পাঠানো হয়েছিল। তাতে সেদেশের বাসিন্দারা স্বস্তি পায়। কিন্তু নতুন করে অশান্ত পরিস্থিতিতে ফের সেদেশে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে চলেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার মাঝেমধ্যেই দু’লক্ষ বা তিন লক্ষ মেট্রিক টন চাল পাঠানোর জন্য দিল্লির কাছে আর্জি জানায়। প্রতিবারই তা পাঠানো হয়। কিন্তু এখন আর সেই পথে হাঁটতে নারাজ চাল ব্যবসায়ীরা। রাইসমিল অ্যাসোসিয়াশনের পক্ষে আব্দুল মালেক বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে চাল পাঠানো সম্ভব নয়।
ব্যবসায়ীরা বলেন, বাংলাদেশে ধান উৎপাদন হলেও তাতে চালের চাহিদা মেটে না। এদেশের চালের উপর অনেকটাই তাদেরকে নির্ভর করতে হয়। দীর্ঘদিন রপ্তানি বন্ধ থাকলে সে দেশের চালের দাম অনেকটাই বেড়ে যাবে। মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তরা সমস্যায় পড়বেন।