


সংবাদদাতা, বনগাঁ: ‘অনেকে পুরসভার চেয়ারম্যানকে ধমক দিয়ে, ভয় দেখিয়ে নিজেদের জায়গা করতে চাইছে।’ এভাবে যারা বনগাঁয় ‘অরাজকতা’ সৃষ্টি করতে চাইছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। সোমবার বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পুরসভার একাধিক বিষয় নিয়ে কথা হয় তাঁদের। জানা গিয়েছে, চেয়ারম্যানকে তিনি সব জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে বলেন।
সোমবার দুপুরে প্রথমে বনগাঁ মহকুমা শাসকের দপ্তরে সিএএ ক্যাম্প পরির্দশন করেন শান্তনু। নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা বাসিন্দাদের শুনানিতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, দলের কর্মীদের সেই বার্তা দেন। এরপরই পুরসভায় যান মন্ত্রী। তাঁকে কাছে পেয়ে ইছামতী নদী সংস্কার, পুরসভার পার্কিং নিয়ে জটিলতাসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আবেদন করেন চেয়ারম্যান। পুরসভার সিটি স্ক্যান মেশিন খারাপ থাকার বিষয়টিও সাংসদকে জানানো হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পুরসভায় এসে বেশ কিছু বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। আমরা কিছু সমস্যা মন্ত্রীকে জানিয়েছি। মন্ত্রী সেগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।’
সূত্রের খবর, রাজ্যে পালাবদলের পর বনগাঁ শহরে বিজেপির অন্দরে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। নাম না করে বললেও সম্প্রতি দলেরই একাধিক নেতার বক্তব্যে সেই বিভেদ প্রকাশ্যে এসেছে। এদিন সাংবাদিকদের সামনে শান্তনু বলেন, ‘চেয়ারম্যানকে ধমক দিয়ে ভয় দেখিয়ে অনেকেই নিজেদের জায়গা করতে চাইছে। তাঁদের বিষয়ে আমাকে জানান। বিষয়টি পিএম পর্যন্ত জানাব। বনগাঁয় কোনো অরাজকতা তৈরি হতে দেব না।’ এদিন বনগাঁ হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নেন মন্ত্রী।