


নয়াদিল্লি: প্রবল ছাত্র বিক্ষোভের মুখে সমস্ত ক্লাস অনলাইন মাধ্যমে হবে বলে ঘোষণা করল দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০০৬ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভেঙে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্বাচন আয়োজন করে নতুন করে ইউনিয়ন গঠনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের একাংশ ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনও শুরু করেছেন। এই পরিস্থিতিতে শনিবার জামিয়া মিলিায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি এবং ক্যাম্পাসে ‘প্রকৃত’ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কোর্সের ক্লাস অনলাইন মাধ্যমে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মহম্মদ মাহতাব আলম রিজভি এদিন একটি নোটিসও জারি করেছেন। ওই নোটিসে অনলাইন ক্লাসের জন্য ফ্যাকাল্টি সদস্যদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবিন বাসিল নামে এক পড়ুয়া বলেন, ‘সকালে রেজিস্ট্রার সহ কয়েক ডজন অধ্যাপক আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কিন্তু কোনো সন্তোষজনক ফল মেলেনি। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি যে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’
এসবের মধ্যেই শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান নিরাপত্তারক্ষীরা। বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের অভিযোগ, তাঁবু খাটিয়ে অবস্থানে বসেছিলেন তাঁরা। সেখানে অনশনরত পড়ুয়ারাও ছিলেন। কিন্তু ওই তাঁবুগুলি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্ষীরা। তারপরেই হাতাহাতিতে জড়ায় দু’পক্ষ। এই ঘটনার জন্য কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলেছেন রেজিস্ট্রার। তাঁর অভিযোগ, গতকাল কংগ্রেসের দুই নেতা ক্যাম্পাসে এসেছিলেন। তাঁরা পড়ুয়াদের উত্তেজিত করেন এবং উসকানিমূলক কথা বলেন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।