


নয়াদিল্লি: পূরণ হয়েছে দাবি। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে লড়াই শেষ হয়নি বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি, সরকার তাদের দাবি নীতিগতভাবে মেনে নিয়েছে। এবার সেই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তার উপরই নজর থাকবে। শনিবার দুপুরে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এবার কী আন্দোলন থেমে যাবে? নাকি আরও বড়ো পরিকল্পনা রয়েছে? রবিবার সেইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দিপকে। তিনি বর্তমানে টাইফয়েডে আক্রান্ত। জ্বরের কারণে শনিবার আন্দোলন প্রত্যাহারের পরই দ্রুত বাড়ি ফেরেন। তার জন্য ব্যক্তিগতভাবে সকলকে ধন্যবাদ জানাতে পারেননি। রবিবার সেকথা উল্লেখ করে দুঃখপ্রকাশ করেন দিপকে। ভিডিয়ো বার্তায় বলেন, ‘যাঁরা ৩৭ দিন ধরে যন্ত মন্তরে অপেক্ষা করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনারা না থাকলে দেশের জন্য এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হতো না।’ সমালোচকদেরও ধন্যবাদ জানান দিপকে। তবে আন্দোলন প্রত্যাহার মানেই লড়াইয়ের সমাপ্তি নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই তো সবে শুরু, এখনও দীর্ঘ পথ চলা বাকি।’ পাশাপাশি সিজেপির আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে টানা ২৩ দিন অনশন করা এআইএসএ-র সভাপতি নেহা বোরা জানান, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়েছিলাম। কিন্তু তার পাশাপাশি দেশের তরুণ প্রজন্ম নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে শিখেছে—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।’
আন্দোলনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তারা জানিয়েছে, পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে। তাদের বাকি শর্তগুলো ঠিকমতো পূরণ হচ্ছে কি না, সেটাও দেখা হবে। সিজেপি আরও জানিয়েছে, আগামীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। যদিও ভবিষ্যতে তারা রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে কি না, তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সংগঠনের নেতৃত্ব। এর মধ্যেই রবিবার গভীর রাতে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে টুইট করে সিজেপি। বলা হয়, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র প্রসাদ যে আশ্বাস দিয়েছেন, তা ভঙ্গ করবেন না।