


নয়াদিল্লি: টানা চার হারের পর স্বস্তির জয় পেয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সৌজন্যে তিলক ভার্মার অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস। আমেদাবাদে গুজরাতের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর নায়কের হুংকার, ‘গত কয়েকটা ম্যাচ আমাদের ভালো যায়নি। আমার ফর্মও খারাপ যাচ্ছিল। তাই আমার এবং দলের জন্য এই জয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠার ক্ষমতা রয়েছে। তার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও ফোকাস।’
চলতি আইপিএলে আগের পাঁচটি ম্যাচে তিলকের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ ছিল। তাঁর ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ২০, ০, ১৪, ১ ও ৮। তবে ব্যর্থতা কাটিয়ে সোমবার তিনি ঝলমলে সেঞ্চুরি উপহার দেন। ম্যাচ জেতানো ইনিংসের বিশ্লেষণে তিলকের সংযোজন, ‘আমেদাবাদে খেলতে এলে ওরা সাধারণত কালো মাটির পিচ দেয়, যেখানে বল ধীরে আসে। তাই শুরুতে পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। পিচ একবার বুঝে যাওয়ার পর আর সমস্যা হয়নি। বড় রান করে দলকে জেতাতে পারায় খুশি।’ সাধারণত তিলক তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করেন। তবে সোমবার পাঁচ নম্বরে নেমেছিলেন। পছন্দের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে প্রশ্ন করায় মুম্বইয়ের তরুণ ব্যাটারের জবাব, ‘তিন নম্বরই আমার পছন্দের পজিশন। তবে দলের স্বার্থে যে কোনো জায়গায় ব্যাট করতে রাজি আছি।’ সোমবার জয়ের পর ৬ ম্যাচে মুম্বইয়ের সংগৃহীত পয়েন্ট ৪। টেবিলে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে তারা। এখান থেকে প্লে-অফে কোয়ালিফাই করা সম্ভব? তিলকের জবাব, ‘মুম্বই খুবই শক্তিশালী দল। স্কোয়াডে একাধিক বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার রয়েছে। তাই সবই সম্ভব। পরের ম্যাচগুলিতে ছন্দ ধরে রাখতে হবে।’ উল্লেখ্য, সোমবার ম্যাচ চলাকালীন হার্দিক উত্তেজিতভাবে তিলককে কিছু একটা বলছিলেন। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বাঁ-হাতি ব্যাটারের মন্তব্য, ‘সবাই তো জানেন, হার্দিকভাই কতটা এনার্জেটিক। ব্যাটিংয়ের সময় ও উত্তেজিতভাবে আমাকে উত্সাহ জোগাচ্ছিল যে, তুই পারবি, তুই করে দেখাবি। আমি তখন বললাম, তুমি শান্ত হও। আমায় ফোকাস করতে দাও (হেসে)।’