


নয়াদিল্লি: নেতৃত্বের চাপ উপেক্ষা করে ইংল্যান্ডের মাটিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মেলে ধরেছিলেন শুভমান গিল। ৭৫৪ রান হাঁকিয়ে সিরিজের সেরাও হয়েছেন। শুধু নিজে পারফর্ম করাই নয়, অধিনায়ক হিসেবে দলকে সামনে থেকে পথ দেখান পাঞ্জাব কা পুত্তর। বুঝতেই দেননি যে, নেতৃত্ব পাওয়ার পর এটা তাঁর প্রথম পরীক্ষা। ইংল্যান্ডের মাটিতে গিলের পারফরম্যান্সের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শোনা গেল যুবরাজ সিংয়ের কণ্ঠে। তিনি বলেছেন, ‘টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে ওর নাম ঘোষণার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু চারটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়েছে গিল। এত বড় দায়িত্ব যে কাঁধের উপর রয়েছে, সেটা বুঝতেই দেয়নি। বরং নেতৃত্ব উপভোগ করেছে। অবিশ্বাস্য বললেও কম বলা হয়।’
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু’বার পিছিয়ে পড়েও সিরিজ ড্র করে টিম ইন্ডিয়া। এই সাফল্য জয়ের থেকে কোনও অংশে কম নয় বলে মনে করছেন যুবি। তাঁর কথায়, ‘আমি এই ভারতীয় দলের জন্য গর্বিত। কেউ ভাবতে পারেনি, এত ভালো পারফর্ম করবে ছেলেগুলো। আমার মতে, ২-২ ড্র করাটা ভারতের কাছে নৈতিক জয়। কারণ, এই দলে অনেক তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে। কেউ কেউ তো আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেইনি। অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ ছিল সামনে। কিন্তু সেটা সফলভাবে অতিক্রম করতে পেরেছে ভারতীয় দল।’
ইংল্যান্ড সফরের ঠিক আগে রোহিত শর্মা টেস্ট ফরম্যাট থেকে অবসর নেন। সেই পথে হাঁটেন বিরাট কোহলিও। তাঁদের প্রস্থানে ভারতীয় টেস্ট দলে বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল। তা ভরাট করা সহজ ছিল না। কিন্তু রাহুল, যশস্বী, গিল, জাদেজা, সুন্দর, ঋষভরা টিম গেমে যাবতীয় বাধা টপকেছেন। ঢেকে দিয়েছেন দুই মহাতারকার অভাব। এই প্রসঙ্গে যুবি বলেন, ‘কোহলি, রোহিতের মতো তারকাকে ছাড়া ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট ড্র করা সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু ভারতীয় দলের তারুণ্যের জোয়ারে ভেসে গিয়েছে আয়োজক দেশ। নজর কেড়েছে জাদেজা, সুন্দরদের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স। ওদের ম্যারাথন ব্যাটিংয়ের সুবাদেই আমরা ম্যাঞ্চেস্টারে ড্র করতে পেরেছিলাম। জাদেজা বহুদিন ধরেই খেলছে। ও আগেও অনেক ম্যাচ বাঁচিয়েছে। তবে সুন্দরকে দেখে আরও বেশি ভালো লাগল। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার পূর্ণ মর্যাদা রেখেছে।’