


তেহরান: বুধবার অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। ইরানের এক সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে কেউ বা কারা তাঁর গাড়িতে অন্তর্ঘাতের চক্রান্ত করেছিল। এসি সিস্টেম কাজ না করায় ও যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল তাঁর গাড়ি। তবে কোনওক্রমে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সূত্রে খবর, যুদ্ধ আবহে ইরানের শীর্ষ কর্তা, বিজ্ঞানী, সংবাদসংস্থার বিল্ডিংগুলিকে টার্গেট করেছে ইজরায়েল। নিশানায় রয়েছেন খামেনেইও। এই পরিস্থিতিতে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে হত্যার চক্রান্তকে কেন্দ্র করে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে।
মহরম উপলক্ষ্যে এদিন গাড়িতে করে জানজানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন মাহমুদ। সেইসময় তাঁর প্রধান নিরাপত্তারক্ষী লক্ষ্য করেন, গাড়ির এসি খারাপ এবং যান্ত্রিক গোলযোগ রয়েছে। তড়িঘড়ি মাহমুদকে গাড়ি বদলানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। ততক্ষণে নিয়ন্ত্রণ হারায় গাড়িটি এবং কনভয়ের অন্য গাড়িতে ধাক্কা মেরে থেমে যায়। প্রাণে বেঁচে যান প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। তবে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী অল্পবিস্তর চোট পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, দিন দুয়েক আগে গাড়িটি মেরামতির জন্য পাঠানো হয়েছিল। প্রাথমিক অনুমান, সেখানেই গাড়িতে কিছু করা হয়েছিল।
এই মুহূর্তে মাহমুদ কোথায় রয়েছেন, তা কারও জানা নেই। তাঁর পরিবারের তরফেও কিছুই জানানো হয়নি। এমনকী সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর কোনও গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়নি। তাই তাঁর বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়েও একাধিক জল্পনা শুরু হয়েছে। কয়েকটি অসংরক্ষিত সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, মধ্য তেহরানে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ, তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রকে হত্যা করেছে বন্দুকবাজরা। তবে এনিয়ে ইরান প্রশাসন ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের পরিবারের তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।