


বিশেষ সংবাদদাতা, ইম্ফল: পর পর দু’দিন। ঠিক দু’দিন নয়, আসলে হিংসাদীর্ণ মণিপুর নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য বরাদ্দ হল গভীর রাতের কিছুটা সময়। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও। উল্লেখযোগ্যভাবে তখন শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের বেঞ্চ অনেকটাই ফাঁকা। আলোচনার এই সময় নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে বিঁধতে ছাড়েনি মহাজোট ইন্ডিয়ার শরিকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন গত দু’বছর মণিপুর সফরে যাননি, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
বৃহস্পতিবার রাত ৩টে ৫৮। গোটা দেশ যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, সেই সময় রাজ্যসভায় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার বিষয় নিয়ে প্রস্তাব গৃহীত হয়। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং হিংসা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য কেন্দ্রের সমালোচনা করেন বিরোধী সাংসদরা। পাল্টা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মণিপুরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানোর জন্য সমস্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। এনিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন, সংসদে মণিপুরের বিষয়টি মধ্যরাতে আলোচিত হয়। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজ্যসভায় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার বিষয়ে প্রস্তাবের উপর আলোচনা শুরু হয়েছিল। এর আগে বুধবারও মধ্যরাতে লোকসভায় মণিপুর প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়। তা চলেছিল ৪০ মিনিট। এদিকে, মণিপুরের একাধিক জেলায় অভিযান চালিয়ে হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধার করা হয় প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক।