


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সকালে সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হল। পরে সংসদ ভবন চত্বরে ‘প্রেরণাস্থল।’ সোমবার সংসদে দু’ জায়গায় পালন হল বাবা সাহেব আম্বেদকরের ১৩৫ তম জন্মদিন। তবে সেন্ট্রাল হলে আম্বেদকর প্রতিকৃতিতে গোলাপ পাপড়ির শ্রদ্ধার্ঘ্যে এলেনই না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোজা হাজির হলেন সংসদ চত্বরে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশের অনুষ্ঠানে। সেখানেও বৌদ্ধ ভিক্ষুককে তাঁদের পোশাক ‘কাসায়া’ আর ফলের ঝুড়ি দান করতে গিয়ে তা পড়েই যাচ্ছিলেন। কোনওক্রমে ধরে ফেলা হল।
সকালে সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, আইনমন্ত্রী অজুর্নরাম মেঘওয়াল, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু, সোনিয়া গান্ধীর পাশাপাশি লোকসভা-রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা যথাক্রমে রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও এসেছিলেন। উপস্থিত হন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ।
পরে প্রেরণাস্থলের অনুষ্ঠানে রেখা গুপ্তা এবং রাহুলকে পাশাপাশি একই সোফায় বসতে দেখা যায়। উভয়ে নিজেদের মধ্যে কথাও বলেন। আলাপ করেন সোনিয়ার সঙ্গেও। কিন্তু প্রেরণাস্থলের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও কাউকেই সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেল না। অবশ্য অনুষ্ঠানে প্রথা মেনে প্রায় পাশাপাশিই ছিলেন তাঁরা। আম্বেদকরের মূর্তির নীচে একটি প্রতিকৃতি বসিয়ে সেখানেই হল শ্রদ্ধার্ঘ্য।