


ভোপাল: মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যোন লাগোয়া গ্রামগুলিতে আতঙ্কের পরিবেশ। বন্যজন্তুর আক্রমণে রীতিমতো ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। প্রায়শই গ্রামে হানা দিচ্ছে বন্যজন্তুরা। কিছুদিন আগে উর্মিকলা গ্রামে ৯ বছরের অবিনাশ ধাকড়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একটি বন্যজন্তু। গুরুতর জখম হয় ওই বালক। এছাড়াও প্রায়ই এলাকার গবাদি পশুর উপর হামলা হচ্ছে। এই সব ঘটনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুনোর চিতাকেই দায়ী করছেন গ্রামবাসীরা। যদিও বনকর্মীরা জানিয়েছেন, চিতা নয়, ওই এলাকায় হামলা চালাচ্ছে চিতাবাঘ।
গত মঙ্গলবার মাঠে গম কাটতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫৭ বছরের উমেদ। বন্যপ্রাণীর হানায় ক্ষতবিক্ষত হয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ। হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তাঁর উপর আফ্রিকার দেশ থেকে আনা চিতা হামলা চালিয়েছে বলে জানান ওই কৃষক। যদিও পরে বন্যকর্মীরা জানতে পারেন, চিতা নয়, তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল চিতাবাঘ। গ্রামবাসীরা কোনটি চিতা আর চিতাবাঘ, গুলিয়ে ফেলেছেন। এব্যাপারে তাঁদের সচেতন করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে কুনো জঙ্গল লাগোয়া চারটি শাবক সহ একটি চিতাকে ঘুরতে দেখেন স্থানীয়রা। ভয় পেয়ে চিতাটির উপর আক্রমণ করে তাঁরা। এই ঘটনার পুণরাবৃত্তিএড়াতে সচেষ্ট হয়েছেন বনকর্মীরা। চিতাবাঘের আক্রমণ রুখতে নজরদারির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। -ফাইল চিত্র