


বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের ঠান্ডা লড়াই সুবিদিত। সিদ্ধারামাইয়াকে সরিয়ে কর্ণাটকের কুর্সিতে বসবেন শিবকুমার? জোর চর্চা চলছে কন্নড় ভূমিতে।এরইমধ্যে গত শনিবারই ইডলি, সাম্বর সহযোগে তাঁদের প্রাতঃরাশের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশে দ্বন্দ্ব সরিয়ে দলের ঐক্যবদ্ধ চেহারা তুলে ধরতেই কাছাকাছি এসেছিলেন দুই নেতা। চারদিন পর ফের ব্রেকফাস্টের টেবিলে বসলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী। পরে ফের একসঙ্গে সরকার চালানোর বার্তাও দিলেন দু’জনে। কিন্তু তারপরও দু’জনের দূরত্ব কি মুছল? এনিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।
মঙ্গলবার সিদ্ধারামাইয়াকে বাসভবনে ব্রেকফাস্টের জন্য আমন্ত্রণ জানান শিবকুমার। সেইমতো সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ শিবকুমারের বাসভবনে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। দু’জনই ছিলেন হাসিমুখে। এদিনের সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে শিবকুমার জানিয়েছেন, ‘কর্ণাটকে ভালো সরকার চালানো ও উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে একদফা আলোচনা হয়েছে। কর্ণাটকের কুর্সি নিয়ে কোনও বিবাদ নেই।’ পরে সংবাদমাধ্যমকে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীও বলেন, ‘কোনও মতপার্থক্য নেই। শিবকুমার আর আমি এক। আমরা সরকার চালাচ্ছি, ভবিষ্যতেও একসঙ্গে মিলে সরকার চালাব। শিবকুমার আমাকে আজ ব্রেকফাস্টের জন্য ডেকেছিলেন। ব্রেকফাস্টের পর, আসন্ন বিধানসভার অধিবেশন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিধায়কদের নিয়ে আগামী ৮ ডিসেম্বর বৈঠকে বসব আমরা। কৃষকদের সমস্যা দূর করতে চিন্তাভাবনা করছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ প্রসঙ্গে সিদ্ধারামাইয়া বলেন, দলের হাইকমান্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা দু’জনেই মেনে চলব।