


মুম্বই: সইফ আলি খানের উপর হামলার ঘটনায় নয়া মোড়। ঘটনার পর অভিনেতার বাসভবন থেকে সংগৃহীত আঙুলের বেশ কয়েকটি ছাপের সঙ্গে মিলছে না মূল অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামের আঙুলের ছাপ। মুম্বই পুলিসের চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, আঙুলের ছাপের ২০টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল সিআইডি’র ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যুরোতে। তার মধ্যে ১৯টি শরিফুলের সঙ্গে মেলেনি। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, সইফের আবাসনের বাথরুমের দরজা, বেডরুমের দরজা, আলমারির হাতলে পাওয়া আঙুলের ছাপ মেলেনি অভিযুক্তের সঙ্গে। একমাত্র আবাসনের আটতলা থেকে সংগৃহীত আঙুলের ছাপই নাকি শরিফুলের সঙ্গে মিলেছে। তবে পুলিসের যুক্তি, আঙুলের ছাপ কখনওই অকাট্য প্রমাণ নয়। কারণ ঘটনাস্থলে অনেকেই হাত রাখেন। পুলিস জানিয়েছে, শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক। বেঙ্গালুরুর একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতীয় মুদ্রা দেশের বাইরে পাঠাত সে। সাহায্য নিত সহকারী অমিত পান্ডের। আবদুল্লা আলিম নামক একজনের কাছে মূলত ওই টাকা পাঠানো হতো। আলিম সম্পর্কে শরিফুলের ভগ্নিপতী। কয়েকদিন আগে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ১ হাজার পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে মুম্বই পুলিস।