


কোয়েম্বাটুর: কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ। প্রেমিককে ধারালো অস্ত্রের কোপ। রবিবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার রাতে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। কোয়েম্বাটুরের এসপি এ সারাভানা জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে তাঁদের পায়ে গুলি করা হয়। ধৃতদের নাম কারুপ্পাস্বামী ওরফে সতীশ (৩০), কালীশরণ ওরফে কার্তিক (২১) এবং গুনা ওরফে থাভাসি (২০)। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত সতীশ ও কার্তিক সম্পর্কে ভাই। তাঁদের বিরুদ্ধে আগেও খুন ও চুরির অভিযোগ রয়েছে। অন্য অভিযুক্ত গুনাও তাঁদের আত্মীয়। গুলিবিদ্ধ তিন অভিযুক্ত কোয়েম্বাটুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন মত্ত অবস্থায় বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই নির্জন এলাকায় আসে অভিযুক্তরা। রাত ১১টা নাগাদ ফের তারা সেখানে মদ্যপান করে। তখনই একটি গাড়িতে ওই যুগলকে দেখতে পায় তারা। পাথর দিয়ে গাড়ির কাচ ভেঙে ফেলে ওই তিনজন। তরুণীর প্রেমিক গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে তাঁকে কাস্তে ও পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর তরুণীকে অন্যত্র তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে তারা। কমিশনার জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালেও গাঢ় অন্ধকার ও আগাছার জঙ্গলের জন্য অভিযুক্তদের ধরা যায়নি। তারা পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায়। নির্যাতিতা নিজেই ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসেন। নির্যাতিতা ও তার প্রেমিকের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন।