


নাগপুর: বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে নির্বাচন কমিশন ভোটে কারচুপি করছে। এমনই অভিযোগ তুলে সোচ্চার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এব্যাপারে রাহুলের পাশেই দাঁড়ালেন এনসিপি(এসপি) নেতা শারদ পাওয়ার। সেই সঙ্গে তাঁর চাঞ্চল্যকর দাবি, মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণার আগে রাজ্যের ২৮৮ আসনের মধ্যে ১৬০টি আসনে বিরোধীদের জিতিয়ে দেওয়ার ‘গ্যারান্টি’ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর কাছে এমন প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন দুই ব্যক্তি। তিনি ওই দুজনের সঙ্গে রাহুলের পরিচয় করিয়ে দেন। কিন্তু রাহুল তাদের কথায় পাত্তা দেননি। তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন, এসব কথায় কান না দিয়ে বিরোধী জোটের মানুষের কাছেই যাওয়া উচিত। শনিবার নাগপুরে পাওয়ার বলেছেন, ‘পুরো ঘটনায় অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা ছিল। তাই আমরা এই প্রস্তাবে গুরুত্ব দিইনি।’ শারদ তাঁর এই মন্তব্যে মহারাষ্ট্রে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
শারদের এই দাবিকে কটাক্ষ করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তাঁর প্রশ্ন, রাহুল গান্ধীর দাবির পরই শারদ কেন ওই ঘটনার কথা সামনে আনছেন। এর আগে তো ইভিএমে কারচুপির অভিযোগেও সায় দেননি তিনি। অন্যদিকে, বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কমিশনের ভোটে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাহুলের পাশেই দাঁড়িয়েছেন শারদ। রাহুলের প্রশংসা করেছেন তিনি। এব্যাপারে রাহুলকে তাঁর অভিযোগ হলফনামা আকারে জমা দিতে বলার যে কথা বলা হচ্ছে, তার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শারদ। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা। রাহুল তো সংসদে তাঁর শপথ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাহলে পৃথক হলফনামার প্রশ্ন উঠছে কীভাবে? রাহুলের অভিযোগ খারিজ করতে বিজেপি নেতারা যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তারও কড়া সমালোচনা করেছেন শারদ। তিনি বলেছেন, কমিশনের কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাহলে বিজেপি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন কমিশনের হয়ে
সওয়াল করছেন? কমিশনকেই এর জবাব দিতে হবে।