


নয়াদিল্লি: ভারতের জ্বালানি গ্যাসের সংকট নিরসনে সোনালি সম্ভাবনা দেখা দিল। সোমবারই ৪৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি নিয়ে গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে নোঙর করল ভারতীয় ট্যাঙ্কার শিবালিক। অনেক টালবাহানার পর হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে শিবালিকের নোঙর, নানা সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে। আগেই ভারতীয় তৈলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে ইরান। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শিবালিকের ভারতে আসা সম্ভব হয়নি। শনিবার কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারি রাজেশ কুমার সিনহা জানান, ১৬ মার্চ শিবালিক এবং ১৭ মার্চ নন্দা দেবী ভারতে এসে পৌঁছবে। শিবালিকের নোঙরের পর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ মঙ্গলবার কান্দালা বন্দরে এসে পৌঁছবে দ্বিতীয় ট্যাঙ্কার নন্দা দেবী। এই দুই ভারতীয় জাহাজ মোট ৯২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি আনছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, ‘পারস্য উপসাগরে এখনও ২২টি তৈলবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে।’
যুদ্ধ শুরুর পরেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এই সরু সমুদ্র পথেই পশ্চিম এশিয়া থেকে ভারতে জ্বালানি গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল আসে। হরমুজ বন্ধ হওয়ার পরেই দেশে এলপিজির সংকট শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক পথে আলোচনা শুরু করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি বলেন, আলোচনা করে শিবালিক এবং নন্দা দেবীর জন্য ছাড় আদায় করা হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে (কূটনৈতিক পরিভাষায় ব্ল্যাঙ্কেট অ্যারেঞ্জমেন্ট) কোনো ছাড় মেলেনি। জাহাজ ভিত্তিতে (কেস টু কেস) ছাড় মিলেছে।