


ইন্দোর: হানিমুন মার্ডারে সঞ্জয়-রহস্যের সমাধান। প্রেমিক রাজ কুশওয়ার নম্বরই সঞ্জয় ভার্মা নামে সেভ করেছিল স্বামী খুনে অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী। পরিজনদের বিভ্রান্ত করতে ও সন্দেহ এড়াতে এমনটা করেছিল সোনম। গত বুধবার থেকে হানিমুন মার্ডারে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে উঠে আসে আরও এক নতুন চরিত্র— সঞ্জয়। এই নম্বর থেকেই সোনমের কাছে ২৩৪ বার ফোন এসেছিল। বিয়ের আগে ১ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল ৩৯ দিনের মধ্যে ওই ফোনগুলি সোনমের কাছে এসেছিল। প্রতিবারই কথা হয়েছে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা। বৃহস্পতিবার মেঘালয় পুলিস জানিয়েছে, সঞ্জয় কোনও আলাদা ব্যক্তি নন। বরং খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত রাজের নম্বরই ওই নামে সেভ করে রেখেছিল সোনম। ফোন নম্বরের তথ্য ও রেকর্ড বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জেনেছেন তদন্তকারীরা।
গত ৮ জুন শেষবার সক্রিয় ছিল রাজের নম্বরটি। সেদিনই পুলিসের কাছে আত্মসমর্পণ করে রাজা রঘুবংশী খুনে অভিযুক্ত সোনম। গ্রেপ্তার করা হয় অন্যান্য অভিযুক্তদেরও। তবে তদন্তে সঞ্জয়ের নাম উঠে আসতে রহস্য আরও ঘনীভূত হতে শুরু করে। প্রশ্ন ওঠে, কে এই সঞ্জয়? প্রাথমিকভাবে মনে করা
হয়েছিল, সঞ্জয় অন্য কোনও ব্যক্তি। তার সঙ্গে রাজা খুনের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছিলেন তদন্তকারীরা। এব্যাপারে সোনমের ভাই গোবিন্দ বলেন, ‘সঞ্জয় ভার্মা? আমি এই নাম প্রথম শুনলাম। এর সম্পর্কে কিছুই জানি না।’ শেষপর্যন্ত পুলিস স্পষ্ট করে দিল, রাজাই আসলে সঞ্জয়।
এরইমধ্যে মেঘালয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার রাজা রঘুবংশীকে খুনের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী সোনম সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের জেরা করেছে। সেইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পর সোনম যে ট্যাক্সিতে করে ইন্দোর থেকে উত্তরপ্রদেশে এসেছিল, সেটির চালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।