


ঢাকা: ভোটের আগে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। ঢাকার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান সহ তিন প্রাক্তন পুলিশকর্তাকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনা জমানার ওই পুলিশকর্তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে বলেছেন বিচারকরা। হাবিবুর ছাড়াও প্রাক্তন যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ আখতারুল ইসলামেরও মৃত্যদণ্ড হয়েছে। সোমবার ট্রাইবুনালের বিচারক গোলাম মুর্তাজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারক এই রায় শুনিয়েছেন। ট্রাইবুনালের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত তিনজনই এখন পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে রেড কর্নার নোটিস জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় প্রাক্তন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার মহম্মদ ইমরুলকে ৬ বছর এবং শাহবাগ থানার তৎকালীন ওসি আরশাদ হোসেনকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, পুলিশের কাজ ছিল সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পুলিশ যেভাবে ছাত্র ও নাগরিকদের উপর গুলি চালিয়েছে, তা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। হাবিবুর রহমান ঢাকার পুলিশ প্রধান হিসেবে এই দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। বিশেষ করে ৫ আগস্ট সরকারের পতনের মুহূর্তেও যেভাবে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তা ক্ষমাহীন। পলাতক পুলিশ অফিসারদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ প্রশাসন।