


বস্তার, ১৩ এপ্রিল: ছত্তিশগড়ের কাঙ্কেরে যৌথবাহিনী অভিযান। নিকেশ শীর্ষ মাওবাদী নেত্রী রুপি। নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অস্ত্র ত্যাগ না করলে বাকী মাওবাদীদেরও একই অবস্থা হবে। তাদের হাতেও খুব বেশি সময় নেই। ফলে বাকীরা শীঘ্রই আত্মসমর্পণ করুন। এদিন মাও নেত্রীর এই মৃত্যুকে বড়সড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা। জানা গিয়েছে, রুপির স্বামীও মাওনেতা ছিলেন।
জানা যাচ্ছে, কাঙ্কেরে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় যৌথবাহিনী। এরপর শুরু হয় অভিযান। বাহিনীর জওয়ানদের দেখতে পেয়ে আচমকাই গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা দেয় যৌথবাহিনীও। তাতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শীর্ষ তেলেগু মাও নেত্রী রুপির মৃত্যু হয়। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। অকুস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ-সহ কিছু নথি উদ্ধার করা হয়। গতবছর অভিযানে তার স্বামী বিজয় রেড্ডিকে নিকেশ করেছিলেন জওয়ানরা। এলাকার এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, আমরা মাওবাদীদের আত্মসপমর্পণ করার সুযোগ দিয়েছি। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে বলেছি। অনেকেই সেই পথ বেছেও নিয়েছেন। কিন্তু যারা এখনও হিংসার পথেই রয়েছেন তাঁদের অবস্থা মাওনেত্রী রুপির মতোই হবে। পাশাপাশি তাঁর দাবি, বর্তমানে ওই অঞ্চলে খুব কম সংখ্যক মাওবাদীই অবশিষ্ট রয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশকে মাওবাদী মুক্ত করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরই দেশজুড়ে শুরু হয় অভিযান।