


বিশেষ সংবাদদাতা, আগরতলা: উচ্চ আদালতে চাপে ত্রিপুরা সরকার। দীর্ঘ আড়াই দশকের পুরানো ‘স্থির বেতন নীতি’ নিয়ে হাইকোর্টের তোপের মুখে পড়ল রাজ্য সরকার। স্থায়ী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের পাঁচ বছর ধরে স্থির বেতনে রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত।
আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ জানান, আড়াই দশক ধরে চালু থাকা একটি বৈষম্যমূলক সরকারি সিদ্ধান্তকে আজ উচ্চ আদালত বাতিল করে দিয়েছে। এই রায় সমস্ত স্থায়ী সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টান্তমূলক। তিনি আরও বলেন, ২০০১ ও ২০০৭ সালে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, স্থায়ী পদে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের পর পাঁচ বছর তাঁকে স্থির বেতনে থাকতে হবে। তারপর তাঁদের রেগুলার পে-স্কেল দেওয়া হবে। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে টেট শিক্ষকরা। তাঁদের দায়ের করা রিট পিটিশনের রায় ঘোষণা করে উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, চাকরির প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের নিয়মিত বেতনক্রম দিতে হবে। স্থায়ী পদে নিয়োগের পর দীর্ঘদিন স্থির বেতন প্রদান ন্যায়সঙ্গত ও সাংবিধানিক নয়। সূত্রের খবর, এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে টেট শিক্ষক সহ অন্যান্য স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরা উপকৃত হবেন। রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে নিয়মিত বেতনক্রম চালু করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।