


বারাবাঁকি: উত্তরাখণ্ডের পর এবার উত্তরপ্রদেশ। হরিদ্বারে বিপর্যয়ের ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই ফের বিজেপি শাসিত রাজ্যের মন্দিরে দুর্ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের বারাবাঁকির অবসানেশ্বর মন্দিরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ২ জনের। এরপরই আতঙ্কের জেরে পুণ্যার্থীদের হুড়োহুড়িতে শুরু হয়। এর জেরে পদপিষ্ট হয়ে আহত আরও ৩৬ জন। শ্রাবণ মাসের সোমবার উপলক্ষ্যে জলাভিষেকের সময় এই দুর্ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রশাসনের ভূমিকা।
বারাবাঁকির জেলাশাসক শশাঙ্ক ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, সোমবার বাঁদরের দলে লাফালাফিতে একটি বিদ্যুৎবাহী তার ছিঁড়ে মন্দির চত্বরে টিনের ছাউনির উপর পড়ে। তড়িদাহত হয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়। এরপর প্রাণ বাঁচাতে পুণ্যার্থীদের হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে।
রবিবার রাত থেকেই অবসানেশ্বর মন্দিরে পুণ্যার্থীদের ঢল নেমেছিল। মধ্যরাত থেকেই শুরু হয় জলাভিষেকের অনুষ্ঠান। রাত দু’টো নাগাদ বিদ্যুতবাহী তার ছিঁড়ে পড়ে। তারপরই বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। মন্দির চত্বরে মোতায়েন পুলিস কর্মীরা পদপিষ্টে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে ত্রিবেদীগঞ্জের কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পাঁচজনকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বাকি ২৬ জনকে আহতকে হায়দারগঞ্জ কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে চিকিৎসাধীন।
ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘জেলা প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধার কাজ ও আহতদের উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ ঘটনায় হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করেছে সমাজবাদী পার্টি। তাদের দাবি, ‘অবিলম্বে আহত ও নিহতদের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করুক সরকার। নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।’ উল্লেখ্য, রবিবার উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের মনসা মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে আট জনের মৃত্যু হয়েছিল।