


নয়াদিল্লি: পুরুষের তুলনায় নানা ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছেন মহিলারা। তা সে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেই হোক বা স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ গ্রহণ। সর্বত্র ধরা পড়ে যাচ্ছে ‘অর্ধেক আকাশের’ এই পিছিয়ে পড়ার চিত্র। ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ নিয়ে যতই প্রচার করা হোক না কেন, ঢাকা দেওয়া যাচ্ছে না মহিলাদের অগ্রগতি নিয়ে মোদি সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা। আর সেটাই আরও একবার বেআব্রু করে দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডব্লুইএফ) রিপোর্ট। বৃহস্পতিবার চলতি বছরের ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট’ প্রকাশ করেছে সংস্থা। তাতে দেখা যাচ্ছে, ১৪৬টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান হয়েছে একেবারে নীচের দিকে ১৩১। শুধু তাই নয়, গত বছরের থেকে দু’ধাপ নেমেছে মোদির ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে পঞ্চম স্থানে নয়াদিল্লি। শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী এই দেশের গ্লোবাল র্যাঙ্ক ২৪। এরপরে রয়েছে ভুটান (গ্লোবাল র্যাঙ্ক ১১৯), নেপাল (গ্লোবাল র্যাঙ্ক ১২৫), শ্রীলঙ্কা (গ্লোবাল র্যাঙ্ক ১৩০)। ১৬ বছর ধরে বিশ্বের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আইসল্যান্ড।
পুরুষদের তুলনায় কোন দেশের মহিলারা কেমন অবস্থায় রয়েছেন, তা জানতে চারটি বিষয়কে ভিত্তি করে সমীক্ষা চালিয়েছিল ডব্লুইএফ। অর্থনীতিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ কেমন এবং কতটা সুযোগ তাঁরা পেয়েছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁদের অংশগ্রহণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ এবং আয়ুষ্কাল ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন। এই ক্ষেত্রগুলির মধ্যে কেবল অর্থনীতিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে গত বছরের থেকে এগিয়েছে ভারত। বাকিগুলির ক্ষেত্রে একই অবস্থায় রয়েছে দেশ। তবে অন্যদেশগুলির অগ্রগতির জন্যই পিছিয়েছে ভারত।