


জেনিভা ও গাজা স্ট্রিপ: ইজরায়েলি অবরোধে শ্বাসবন্ধ অবস্থা গাজার। গোটা অঞ্চলজুড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তীব্র সঙ্কট। এমনকী আকাল দেখা গিয়েছে খাদ্যদ্রবেরও। খাবার না পেয়ে ছটফট করে মরছে মানুষ। মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় অনাহারে গাজায় আরও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের অধিকাংশই শিশু বলে জানিয়েছে সেখানকার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
গাজা ভূখণ্ডে ত্রাণ সরবরাহে ইসরায়েলি বাধার প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। এমনকি এনিয়ে ইতিমধ্যে বহুবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। তারই মধ্যে অনাহারে মৃত্যুর ভয়ঙ্কর চিত্র সামনে এল।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে ক্ষুধা ও অপুষ্টি ইতিমধ্যে প্রাণ কেড়েছে শতাধিক মানুষের। তাদের অধিকাংশই শিশু বলে খবরে প্রকাশ।
পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ, তা আরও স্পষ্ট রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপে লাজারানির কথায়। এখন ত্রাণকাজে সাহায্যকারী কর্মীরাও ক্ষুধা ও ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। জেনিভায় এক সংবাদ লাজারানি বলেন, ‘গাজায় চিকিৎসক, নার্স, সাংবাদিক, ইউএনআরডব্লিউএ সদস্য সহ ত্রাণকর্মীরাও এখন খাবার পাচ্ছেন না। অনেকে ক্ষুধা ও ক্লান্তিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন। তাঁদেরই এখন সাহায্য সরকার।’