


নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর: ফের ধর্ষণের ঘটনায় শিরোনামে দিল্লি। ১৭ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর ছুরি মেরে খুন এবং দেহ ফাঁকা মাঠে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যেখানে কিশোরীর শরীরের একাংশ কুকুরে খেয় নেয় বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন নাবালক সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর মধ্য দিল্লির কুশক রোডের জয়পাল রাণার মাঠের কাছে একটি পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। দেহটি পচে যাওয়ায় প্রাথমিকভাবে মৃতের লিঙ্গও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পরে তদন্তে শুরু করার পর মৃতের পরিচয় সম্পর্কে জানে তদন্তকারী দল। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয় ছিল ওই কিশোরীর। ওই ঘটনার দিন একটি টেম্পোর ভিতরে অভিযুক্তদের সঙ্গে ছিল নাবালিকা। যেখানে তাঁরা মদ্যপানও করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করে ছুরি দিয়ে খুন করে দেহটি ফাঁকা জায়গায় ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। অভিযুক্তদের পরিচয় জানতে ওই এলাকার ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারী দল। এরপর তদন্তে ঘটনাস্থলের আশপাশে একটি টেম্পোর গতিবিধি নজরে আসে। অন্ধকারের কারণে টেম্পোর নম্বর স্পষ্ট না হলেও বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সেটির গতিপথ খতিয়ে দেখেন পুলিশ। ১৫ এবং ১৬ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তল্লাশি চালিয়ে টেম্পোটির সন্ধান মেলে। চালককে জিজ্ঞাসাবাদের পর চারজনকে আটক করে তদন্তকারী দল।
পুলিশ মারফত জানা গিয়েছে, ধৃত প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তের নাম শিবম ওরফে সুদামা। খাড্ডা কলোনির স্থানীয় বাসিন্দা তিনি। বাকি তিনজনের বয়স ১৬ ও ১৭ বছর। অভিযুক্তদের দুটি ছুরি এবং টেম্পোটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি কিশোরীর নিখোঁজ হওয়া কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি পরিবারের তরফে। ও. কিশোরী মাঝেমধ্যেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েকদিন পর ফিরে আসত বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে ঘটেছিল এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না সবই খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।