


বেঙ্গালুরু: গত জুনে সিদ্ধারামাইয়াকে সরিয়ে ডি কে শিবকুমারকে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছিল কংগ্রেস। তার ঠিক দু’মাস পর নিজের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করলেন শিবকুমার। রাজ্যপাল আগেই সম্মতি দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী সোমবার শপথ নিলেন ১৯ জন নতুন মন্ত্রী। ২০ জনের শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন তালিকায় একমাত্র মহিলা মুখ গায়ত্রী শান্তেগৌড়া। লোকভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। কংগ্রেস হাইকমান্ড এদিন কর্ণাটক বিধানসভার স্পিকার হিসাবে জিএস পাতিলের নামে অনুমোদন দিয়েছে। তবে এসবের পরেও কংগ্রেস নেতৃত্বকে পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই জলঘোলা চলছিল। বিতর্ক বাড়িয়ে এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তে তালিকা থেকে গায়ত্রীর নাম বাদ যাওয়ায় খুশি নন তিনি। সেই কারণেই তাঁর অনুপস্থিতি।
মন্ত্রিসভায় জায়গা না পেয়ে এদিন ইস্তফা দিয়েছেন কংগ্রেসের দুই বিধায়ক। ইন্দি কেন্দ্রের বিধায়ক যশবন্তরায়াগৌড়া ভি পাতিল এবং সাগরের বিধায়ক বেলুর গোপালকৃষ্ণ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ঠিক আগে তাঁদের ইস্তফাপত্র বিধানসভায় পাঠিয়ে দেন। পাতিলের দাবি, সোমবার সকাল পর্যন্ত তাঁর নাম নয়া মন্ত্রীদের তালিকায় ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। দল কথার খেলাপ করায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিধায়কদের অসন্তোষ নিয়ে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারও। এদিন তিনি বলেন, ‘দয়া করে ধৈর্য ধরুন। এতজন বিধায়কের মধ্যে সকলকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়। আমিও প্রথমে সিদ্ধারামাইয়ার ক্যাবিনেটে জায়গা পাইনি। কিন্তু পরে কি মন্ত্রী হইনি? ভবিষ্যতে প্রত্যেকের জন্যই সুযোগ আসবে।’