


বিশেষ সংবাদদাতা, শ্রীনগর: সোমবার জম্মু-কাশ্মীরে লস্করের বড়োসড়ো জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস করেছে শ্রীনগর পুলিশ। সেই অভিযানে আবদুল্লা ওরফে আবু হুরেইর নামে কুখ্যাত পাক জঙ্গির পাশাপাশি মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এনিয়ে গোটা উপত্যকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এরইমাঝে বুধবার জঙ্গি-যোগের সন্দেহে দুই সরকারি কর্মীকে বরখাস্ত করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। অভিযুক্তদের নাম ফারহাত আলি খান্দায় ও মহম্মদ শাফি দার। এদিন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার নির্দেশে তাঁদের চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ফারহাত চতুর্থ শ্রেণির কর্মী। রামবানে শিক্ষা দপ্তরে কাজ করতেন তিনি। অভিযোগ, গোপনে হিজবুল-মুজাহিদিনকে নানা তথ্য পাচার করতেন ফারহাত। অন্যদিকে, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে কাজ করতেন মহম্মদ শাফি দার। তিনি লস্কর-ই-তোইবার একজন সক্রিয় সহযোগী বলে অভিযোগ।
এর আগে ১০ মার্চ একই অভিযোগে জলশক্তি দপ্তরের মোট তিনজন কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তথ্য বলছে, ২০১৯ সাল থেকে জঙ্গি সন্দেহে এভাবে বরখাস্ত করার সংখ্যা ৯০। একের পর এক ঘটনায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন সেখানকার প্রশাসন। প্রসঙ্গত, সোমবার ধৃত ৫ জঙ্গিকে ১০ দিনের পুলিশি হেপাজতে পাঠিয়েছে শ্রীনগরের স্থানীয় আদালত। ধৃতদের মধ্যে দু’জন পাকিস্তানের জঙ্গি। বাকি তিনজন শ্রীনগরের বাসিন্দা।