


নয়াদিল্লি: হরমুজ প্রণালীর অবরোধ নিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে এমনই জল্পনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে তিনি বলেছেন, ‘আমেরিকা হরমুজ প্রণালী থেকে তেল আমদানি করে না, যাদের প্রয়োজন তারাই ব্যবস্থা করুক।’ এই আবহেই ব্রিটেনের উদ্যোগে হরমুজ নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসল ৪০টিরও বেশি দেশ। সেই আলোচনায় যোগ দেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রিও।
গোটা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি রপ্তানি হয় সংকীর্ণ এই জলপথ দিয়ে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের আবহে গত ১ মাসেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ সেই হরমুজ। এই মুহূর্তে সাধারণ সময়ের তুলনায় ওই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯৪ শতাংশ কমেছে। গত ১ মার্চ থেকে মাত্র ২২৫টি জাহাজ হরমুজ পার করেছে, বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা কেপলার। ফলে গোটা বিশ্বজুড়ে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে এদিনের বৈঠকে ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী ইভেত্তে কুপার বলেন, ‘বিশ্বের অর্থনীতিকে স্তব্ধ করার জন্যই আন্তর্জাতিক জলপথকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান।’ বৈঠকের পর হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একযোগে বিবৃতি প্রকাশ করেছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, জাপান সহ বিশ্বের ৩৭টি দেশ। সেখানে ইরানের হরমুজ অবরোধের পাশাপাশি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। অবিলম্বে এই বাণিজ্যপথ মুক্ত করবার দাবিও জানিয়েছে দেশগুলি। যদিও আমেরিকা, চীন ও পশ্চিম এশিয়ার বেশিরভাগ দেশই এই বিবৃতিতে সই করেনি।