


ভোপাল, ২৮ এপ্রিল: খুশির হাওয়া মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে। ৫টি চিতা শাবকের জন্ম দিল আফ্রিকা থেকে আনা স্ত্রী চিতা নিরভা। জাতীয় উদ্যানের আধিকারিকরাও বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, নিরভা গত ২৫ এপ্রিল ৫টি শাবকের জন্ম দিয়েছে। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমেও শাবকদের দেখাও গিয়েছে। এরপরই তাদের অস্থিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পশু চিকিৎসকরাও শাবকদের ভিডিও দেখেছেন। নতুন এই ৫ শাবক জন্মের ফলে ভারতে মোট চিতার সংখ্যা বেড়ে হল ৩১। কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতার সংখ্যা বর্তমানে ২৯। এর মধ্যে ১৯টি শাবক এবং ১০টি পূর্ণবয়স্ক চিতা রয়েছে। সম্প্রতি দুটি চিতাকে গান্ধীসাগর অভয়ারণ্যে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই অভয়ারণ্যটি নিমচ এবং মান্দসৌর জেলায় অবস্থিত।
অপরদিকে, চিতা বৃদ্ধির এই বিষয়টিতে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত মধ্যপ্রদেশ সরকার। আজ, সোমবার বিষয়টি জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। লেখেন, চিতা প্রকল্পের সাফল্য ভারতে জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধির প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে প্রাকৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক মাইলফলকে পৌঁছেছে ভারত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য সৃষ্ট পরিবেশ ফলপ্রসূ হচ্ছে। পাশাপাশি এই সাফল্যের জন্য কুনো জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ এবং সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা সকলকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা নিরভার বয়স বর্তমানে সাড়ে ৫ বছর। গত বছরও নিরভা দুটি শাবকের জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু সেগুলিকে বাঁচানো যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে নামিবিয়া থেকে ৫টি স্ত্রী এবং ৩টি পুরুষ চিতা আনা হয়েছিল। তাদের ছাড়া হয়েছিল কুনো জাতীয় উদ্যানে। এরপর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা আনা হয়েছিল কুনোয়।