


সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কোনোটির সরকারি লাইসেন্স নেই। অনেকগুলিতে আবার সুরক্ষা ব্যবস্থার হাল তথৈবচ। নেই সেই সংক্রান্ত সরকারি অনুমতিপত্রও। প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তারাপীঠে দিনের পর দিন রমরমিয়ে চলছে এমন অসংখ্য হোটেল-লজ। গত সোমবারের বিপর্যয়ের পরে এনিয়ে অবশেষে টনক নড়ল প্রশাসনের। ‘বেআইনি’ এমন ১৫টি হোটেলকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অবিলম্বে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন রামপুরহাটের মহকুমাশাসক ওশিন বি রাঠোর।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, এই হোটেলগুলিকে বারবার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেগুলিকে নিয়ম মেনে লাইসেন্স বা অন্যান্য সুরক্ষা সংক্রান্ত অনুমতি নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সদিচ্ছা প্রকাশ করেনি। যে কারণে সেগুলি আপাতত বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ তারাপীঠ থানার পাশের একটি পাঁচতলা হোটেলে আগুন লাগে। যার জেরে মৃত্যু হয় ন’জনের। জখম আরো বেশ কয়েকজন। গোটা ঘটনায় অভিশপ্ত হোটেল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি সামনে এসেছে। এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
তারাপীঠের হোটেলগুলিতে ‘সেফটি অডিট’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে বিশেষ দল। আগামী মাসে কৌশিকী অমাবস্যা। সে সময় বিপুল ভক্ত সমাগম হয় শক্তিপীঠে। তার আগেই সেফটি অডিটের কাজ শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে আজ রায়গঞ্জে জানিয়েছেন তিনি।