


গুয়াহাটি (পিটিআই): রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দুই প্রবীণ সাংবাদিক সিদ্ধার্থ বরদারাজন ও করণ থাপারকে তলব গুয়াহাটি পুলিসের। কিন্তু কোন মামলায় এই সমন, কেনই বা তাঁদের ডাকা হল, তা নিয়ে মুখে কুলুপ পুলিসের। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি শাসিত অসমে পুলিসের এই ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনাধীন ভারত ২০২৫ সালে বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতার সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫১তম স্থান পেয়েছে। ঘটনাচক্রে, পশ্চিমবঙ্গের একাধিক বাসিন্দার কাছে অসম পুলিসের তরফে এনআরসি নোটিস পাঠানোর অভিযোগে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তুঙ্গে। প্রতিবাদে সরব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই মধ্যে দুই সাংবাদিকের কাছে কোনও কারণ উল্লেখ না করেই যেভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সমন এল, তা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে। যদিও গুয়াহাটি পুলিসের মতো এবিষয়ে নীরব অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারও।
দুই সাংবাদিকই বর্তমানে একটি ডিজিটাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত। আগামী ২২ আগস্ট তাঁদের অপরাধ দমন শাখায় হাজির হতে বলা হয়েছে। তাঁদের পাঠানো পৃথক নোটিসে বলা হয়েছে, চলতি তদন্তের স্বার্থে পরিস্থিতি ও ঘটনাবলি সম্পর্কে জানতে আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালানোর মতো যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। যদিও সমনের ওই নোটিসের সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর বা চার্জ সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানানো হয়নি বলে দাবি ওই ডিজিটাল মিডিয়ার এক আধিকারিকের। পুলিসের তরফেও মোদ্দা মামলা সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কোন মামলায় এই সমন, তা জানতে পুলিসের শীর্ষকর্তাদের বারবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি। বরদারাজন সমন পেয়েছেন ১৪ আগস্ট। করণ থাপার তা হাতে পান গত সোমবার। সেখানে হাজিরা না দিলে গ্রেপ্তারির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।