


মুম্বই: বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি পদে মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র আরতি শাঠের নিয়োগ নিয়ে তোলপাড় মারাঠা রাজনীতি। তীব্র সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপিও। তাদের বক্তব্য, কংগ্রেসের আমলেও এই ধরনের নিয়োগ হয়েছিল। আরতি শাঠের সাফাই, অনেকদিন আগেই তিনি বিজেপির মুখপাত্রর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এই মুহূর্তে রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মহারাষ্ট্র বিজেপির মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হন আরতি। পরে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। আইনজীবী হিসেবে অবশ্য শাঠের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। আরতির বাবা অরুণও বর্ষীয়ান আইনজীবী। জানা গিয়েছে, বিজেপির সক্রিয় কর্মী তিনি। দীর্ঘদিন আরএসএসের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি আরতিকে বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিয়োগের খবর সামনে আসতেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাযুতি সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারকে একযোগে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধী দলগুলি।
এনিয়ে এনসিপি (এসপি)-র বিধায়ক রোহিত পওয়ার বলেন, ‘এবার দেশের বিচার ব্যবস্থাকে রাজনীতির আখড়া করে তোলার চেষ্টা হচ্ছে। দেশের সংবিধানকে অপমান করা হয়েছে।’ মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের সভাপতি হর্ষবর্ধন সপকালের কথায়, ২০১৪ সালে থেকেই দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে কোণঠাসা করা হচ্ছে। সমস্ত স্বশাসিত সংস্থা এমনকী নির্বাচন কমিশনও বর্তমান সরকারের অঙ্গুলি হেলনে চলছে। এবার কোপ পড়েছে বিচার ব্যবস্থায়। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, বিচার ব্যবস্থার প্রতি দেশের আমজনতার আস্থা রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আবেদন, বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক। অবিলম্বে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন উদ্ধবপন্থী শিবসেনা নেতা অনিল পরব।