


ভোপাল: সদ্যোজাত পরিত্যাগের ঘটনায় টানা ৫ বছর শীর্ষে বিজেপি শাসিত রাজ্য মধ্যপ্রদেশ। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) নথিতে। এমনকি গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুত্যাগের মর্মান্তিক ঘটনা উঠে এসেছে। কোথাও জীবন্ত শিশুকে ফেলে দেওয়া হয়েছে কুয়োয়, কখনও ডাস্টবিনে, কোথাও বা জীবন্ত অবস্থাতেই কবর দেওয়া হয়েছে। পরপর এই ঘটনা ও পরিসংখ্যানে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল।
এনসিআরবি রিপোর্টে উঠে এসেছে, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শিশুত্যাগের ঘটনায় শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। সম্প্রতি সামনে আসা ২০২৩ সালের পরিসংখ্যান বলছে দেশজুড়ে শিশুত্যাগের ঘটনা নেমে এসেছে ৬৫৩-তে। সেখানে শুধু মধ্যপ্রদেশেই এই অপরাধের ঘটনা ১৪০। যা ছিল দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।
গত কয়েক মাসেও মধ্যপ্রদেশে শিশুত্যাগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। বিদিশা জেলায় এক শিশুকন্যাকে জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গভীর কুয়োয় ফেলে যায় মা। পুলিশের তৎপরতায় আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যায় শিশুটি। অন্যদিকে রাজ্যে চালু হওয়া দুই সন্তান নীতিতে চাকরি যাওয়ার ভয়ে সদ্যোজাতকে জীবিত অবস্থাতেই কবর দিয়েছিল পরিবার। বরাত জোরে বেঁচে যায় সেই শিশুও। সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাজগড় জেলায়। সদ্যোজাত কন্যাসন্তানের গলা কেটে ফেলে দেওয়া হয়েছিল ডাস্টবিনে। এক পথচারীর তৎপরতায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসাদের চেষ্টায় শিশুটির প্রাণরক্ষা পেয়েছে।