


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিদ্যুৎ চুরি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি মোকাবিলা করে সংস্থার লোকসান কমানো এবং গ্রাহকদের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। এই ছিল ঘোষিত লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যপূরণে গ্রহণ করা নতুন প্রকল্প রিভ্যামম্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম মুখ থুবড়ে পড়ছে। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়া তো দূর অস্ত, কাছাকাছিই পৌঁছনো যায়নি। এই নয়া প্রকল্প অনুযায়ী দেশের যত ঘরে সংশোধিত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা ছিল, সেই তুলনায় কাজ হয়েছে নগণ্য। স্মার্ট মিটারকে সব সমস্যার প্রধান সমাধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে ২৫ কোটি বাড়িতে তা বসানোর কথা ছিল। হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৮০ লক্ষ। ২০২২ সালে ওই প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছিল ৩০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৫ সালের মধ্যে যা ব্যয় করা হবে। খরচ হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ প্রকৃত কাজ অনেক কম হয়েছে। ২৫ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। সবথেকে বড় সঙ্কট হল, যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই প্রকল্প তৈরি হয়েছিল, সেই বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির লোকসান হ্রাস কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ২০২১ সালে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থাগুলির লোকসান ছিল ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়ার পর তিন বছর কেটে গেলেও, বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থাগুলির লোকসান ২০২৪ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ আরও বেড়েছে। নতুন প্রকল্পে বিশেষ লাভ হয়নি। সংসদীয় কমিটিও এই নিয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের কাছে জবাবদিহি চেয়েছে। প্রশ্ন তুলেছে যে, এই বিপুল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ হওয়ার পরও লক্ষ্যমাত্রা কেন পূরণ করা যাচ্ছে না?