


নয়াদিল্লি: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে রীতিমতো দাপট দেখিয়েছে ভারত। তিনটি ম্যাচেই জিতেছে বিপক্ষকে চুরমার করে। ৭৬.৩৩ গড় ও ২৬৯.৪১ স্ট্রাইক রেটের জন্য বাঁ-হাতি ওপেনার অভিষেক শর্মা হয়েছেন সিরিজের সেরা। বৃহস্পতিবার ঝোড়ো শতরানের সুবাদে ম্যাচের সেরার স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি। অভিষেক বাদে সিরিজে আর মাত্র একজনই মোট রানে একশোর গণ্ডি পেরিয়েছেন। তিনি সঞ্জু স্যামসন (১১৭)। তিন ম্যাচে দু’বার ওপেনিংয়ে পঞ্চাশের বেশি রান উঠেছে। কার্যত দুই ওপেনারই কেড়ে নিয়েছেন যাবতীয় আলো।
এই আবহে বৈভব সূর্যবংশীর ঠিকানা আপাতত ডাগ-আউটই। তা স্পষ্টও করে দিয়েছেন কোচ গৌতম গম্ভীর। তিনি বলেছেন, ‘বৈভবকে সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে। এটা ওকে স্পষ্ট বলা হয়েছে। ওর প্রতিভা নিয়ে আমাদের মনে কোনো সংশয় নেই। জানি, ও কী করতে পারে। কিন্তু দু’বছর ধরে যারা ভালো খেলছে, তারা সদ্য স্কোয়াডে আসা ক্রিকেটারদের তুলনায় বেশি সুযোগ পাবে। তবে বৈভব যখনই সুযোগ পাবে, তখন টানা ম্যাচে নামবে। আর এটাই ভারতীয় ক্রিকেট। এখানে এত প্রতিভা যে ১৫ বছর বয়সিই হোক বা ৩০ বছর বয়সি, অপেক্ষা করতেই হয়।’ অর্থাৎ, বাইশ গজে নীল রঙের জার্সিতে বিস্ময় কিশোরকে ফের দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে সমর্থকদেরও।
ইংল্যান্ডে টি-২০ সিরিজে স্যামসনকে অবশ্য বাদ দিয়েছিল ভারত। তখন শিকে ছিঁড়েছিল বৈভবের ভাগ্যে। তবে এই সিদ্ধান্তটা এখনও অস্বস্তিতে ফেলে গম্ভীরকে। তাঁর কথায়, ‘ট্যালেন্ট ছাড়া কেউ টি-২০ বিশ্বকাপের সেরা হতে পারে না। ওকে বাদ দেওয়াটা তাই আমার কোচিং কেরিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। তবে কখনো কখনো ফর্মকেও গুরুত্ব দিতে হয়।’ হার্দিক পান্ডিয়া এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। গম্ভীরের মতে, তিনি এই মুহূর্তে পুরো দশ ওভার বল করার জায়গায় নেই। তাই তাড়াহুড়ো করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হার্দিককে ফেরানোর পক্ষপতী নয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই প্রেক্ষিতে বল হাতে নীতীশ কুমার রেড্ডির সাফল্য স্বস্তি আনছে। এক বছর পরেই ওডিআই বিশ্বকাপ। ফিট হয়ে উঠলে হার্দিকের সঙ্গে প্রথম এগারোয় থাকতে পারেন নীতীশও, জানিয়েছেন কোচ।