


সংবাদদাতা, বহরমপুর: এক মাস আগে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা ঢুকলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ সেই টাকা তুলতে পারছেন না। সমগ্র শিক্ষা মিশন থেকে কোন খাতে কত টাকা খরচা করা যাবে তার নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত আসেনি। সেই নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত স্কুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে রয়েছে। টাকা তুলতে সমস্যা হওয়ায় স্কুল শিক্ষক, বিশেষ করে প্রধান শিক্ষকদের পকেট থেকেই স্কুলের যাবতীয় খরচা চালাতে হচ্ছে। যা নিয়ে প্রধান শিক্ষকরা চরম সমস্যায় পড়েছেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের পকেট থেকে স্কুলের খরচা চালাতে গিয়ে তাঁদের কার্যত দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলির দাবি, অবিলম্বে কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা খরচের নির্দেশিকা দেওয়া হোক। সমগ্র শিক্ষা মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অবিলম্বে এই সমস্যা মিটে যাবে। শিক্ষকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তৃণমূল সরকার শেষ ৫০ শতাংশ কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা দিয়েছিল। বাকি ৫০ শতাংশ গ্রান্ট বকেয়া ছিল। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে গত আগস্ট মাসে গ্রান্টের টাকা দিলেও, বকেয়া টাকা মেটায়নি। স্কুলগুলি ছাত্রছাত্রীর আনুপাতিক হারেই কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা পেয়ে থাকে। সেই টাকা স্কুলের স্টেশনারি দ্রব্য ক্রয়, বিদ্যুৎ বিল, পরিস্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্কুল টয়লেট ক্লিনিং, হ্যান্ড ওয়াশ কিট, ফাস্ট এইড কিট সহ মোট ২৩টি খাতে খরচা করা হয়। এরমধ্যে স্কুল ও টয়লেট পরিচ্ছন্নতার জন্য মোট বরাদ্দের ১০ শতাংশ টাকা খরচের নির্দেশিকা স্পষ্ট করে উল্লেখ করা থাকে। পাশাপাশি কোন খাতে কত টাকা স্কুল কর্তৃপক্ষ খরচা করতে পারবে তার নির্দেশিকা দেওয়া হয়।