


নয়াদিল্লি: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নতুন যুগের সূচনা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। হিংসা-হামলার ধারপাশেও যায়নি তারা। নিজেদের দাবি আদায়ে দিনের পর দিন দাঁতে দাঁত চেপে যন্তরমন্তরে ধরনা দিয়েছে তারা। দেশের ছাত্র-যুব ‘ককরোচদের’ দৃঢ়তার কাছে মাথা নত করতে হয়েছে মোদি সরকারকেও। এই আবহে বর্তমান প্রজন্মকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণবার্তা দিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। নাম না করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তাঁর বার্তা, অন্ধ আনুগত্যের দিন শেষ। নব প্রজন্ম প্রশ্ন করছে। উত্তর চাইছে। এখানেই থামেননি ভাগবত। সংঘ প্রধানের মতে, চমক-ধমক দিয়ে চলবে না। মনোযোগ দিয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ছাত্র-যুবদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।
শুক্রবার নয়াদিল্লি আম্বেদকর আন্তর্জাতিক সেন্টারে বিশ্ব মঙ্গলালয় সভার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ভাগবত। সেখানে তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুব সম্প্রদায়ের ভাবনার আঙ্গিক ও মানসিকতার বদল ঘটেছে। সমাজকে এটা বুঝতে হবে। বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে সম্পর্কের সমীকরণ বদলের কথাও উঠে এসেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রধানের মুখে। তাঁর কথায়, আমরা যখন যুবক ছিলাম, তখন আনুগত্যের যুগ ছিল। এখন সময় বদলে গিয়েছে। ভাবনাতেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন প্রজন্ম সরাসরি প্রশ্ন করছে। আমাদের উচিত, তাদের কাছে সবকিছু যথাযথভাবে ব্যাখা করা। স্নেহ-মায়া-মমতার সঙ্গে কথা বলতে হবে। ছাত্র ও যুবদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানোর প্রয়োজন রয়েছে। নতুন প্রজন্মের উপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন ভাগবত। তিনি বলেন, যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা ও সহমত তৈরিতে বিশেষ জোর দিতে হবে। সকলের সঙ্গে নরম হয়ে কথা বলতে হবে। নির্দেশ নয়, প্রয়োজন পারস্পরিক আলোচনার।