


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে পালা বদলের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে ময়দানে। একাধিক ক্লাবের কর্তারা শিবির বদলে শাসক দলের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টায় ব্যস্ত। এই আবহে সিএবি’র সচিব ও সহ-সচিব পদে আসন্ন নির্বাচন হয়ে উঠেছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। মেয়াদ শেষ হচ্ছে সচিব বাবলু কোলে এবং সহ-সচিব মদন ঘোষের। তাঁদের জায়গায় নতুন পদাধিকারী চয়নের জন্য নির্বাচন করাতে হবে। সেটা সেপ্টেম্বরেই হতে পারে। তবে গত কয়েক বছরে সিএবি’তে কোনো পদেই নির্বাচন হয়নি। রাজ্যে পালাবদলের পর অবশ্য বিরোধীরা অক্সিজেন পেয়েছে। জোট বাঁধছে একাধিক ক্লাব ও জেলা সংস্থা। সচিব ও সহ-সচিব পদে তাই নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলির মতো হাইপ্রোফাইল সভাপতি থাকায় শাসকগোষ্ঠী কিছুটা অ্যাডভান্টেজ পজিশনে। একটা সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বাংলার ক্রিকেটে মসনদ থেকে জগমোহন ডালমিয়াকে সরাতে সরাসরি তৎকালীন পুলিশ কমিশনার প্রসূন মুখোপাধ্যায়কে লড়াইয়ে নামিয়েছিলেন। কিন্তু রুদ্ধশ্বাস নির্বাচনে শেষ হাসি হেসেছিলেন ডালমিয়াই। মুখ পুড়েছিল রাজ্য সরকারের। তাই হয়তো শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ধীরে চলো নীতি নিতে পারে।
তবে ভোট নিয়ে সরগরম সিএবি। পুরানো একটি মামলা টেনে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের প্রাক্তন সদস্য মহাদেব চৌধুরি স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ করেছেন এথিক্স অফিসারের কাছে। নিশানায় সিএবি’র দুই প্রাক্তন সদস্য লক্ষ্মণ জয়সওয়াল ও সুব্রত সাহা। ২৯ আগস্ট রয়েছে শুনানি। সবকিছু শুনে সৌরভের প্রতিক্রিয়া, ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ। কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই।’ সুব্রত সাহা জানান, ‘আমি তো সিএবি’র কোনো পদে নেই। তাহলে কীসের স্বার্থের সংঘাত? আসলে ভোট আসছে বলে এসব করা হচ্ছে।’