


কোটা: পথ দুর্ঘটনার জখম হয়েছিলেন এক যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে কোটার সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা দেখে বলেন, অবিলম্বের অস্ত্রোপচার করতে হবে। কিন্তু, বাড়ির কেউ না এলে অপারেশন সম্ভব নয়। অগত্যা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবাকেই হাসপাতালে ডেকে পাঠান জখম যুবক। এদিক-ওদিক না ঘুরে অপারেশন থিয়েটারের বাইরেই বৃদ্ধকে অপেক্ষা করতে বলেন। সেখানেই গণ্ডগোল! দুর্ঘটনাগ্রস্ত ছেলের বদলে বাবারই অস্ত্রোপচার করে দেন চিকিৎসকরা। রাজস্থানের কোটা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কলেজের প্রিন্সিপাল সঙ্গীতা সাক্সেনা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সুপারকে তদন্ত কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তৈরি করেছেন হাসপাতাল সুপার। ২-৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা পড়বে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেউ দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি দেবে কর্তৃপক্ষ। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির দাবিও তুলেছে তারা।
জানা গিয়েছে, জখম ওই যুবকের নাম মণীশ। শনিবার তাঁর অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সেইমতো পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবাকে ডেকে পাঠিয়ে ছিলেন তিনি। মণীশ বলেন, বাবাকে অপারেশন থিয়েটারের বাইরে অপেক্ষা করতে বলি। কিছুক্ষণ পর আমাকে ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর কিছু জানি না। এখন দেখছি, বাবার শরীরে ৫-৬টা সেলাইয়ের দাগ।