


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদি তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে ৬২ হাজার ভোট কম পেয়েছিলেন। কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, মোদির প্রাপ্ত ভোটে অনেক ভুয়ো ভোটার আছে। তীব্র বিরোধিতা করেছিল বিজেপি। এসআইআর শুরু হওয়ার পর উত্তরপ্রদেশের খসড়া তালিকায় বারাণসী কেন্দ্র থেকে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। আজ শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে। এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যেই ভোটার বাদ যাওয়ার সংখ্যা সর্বাধিক। খসড়া তালিকায় মোট ২ কোটি ৮৮ লক্ষ ভোটারের নাম গিয়েছিল। এরপর আবেদন প্রক্রিয়া মার্চ মাসে সমাপ্ত হয়। রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ তুঙ্গে উত্তরপ্রদেশে শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যাবে। বিশেষ করে বারাণসীর ভোটার সংখ্যা কত হতে চলেছে? এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছিল উত্তরপ্রদেশে ৫০টি এমন বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে, যেগুলিতে ভোটার বাদ পাড়ার সংখ্যা লক্ষাধিক। সেই তালিকায় ছিল বারাসণী লোকসভা কেন্দ্রের দুটি বিধানসভা। উত্তরপ্রদেশে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৪০ লক্ষ। এসআইআরের পর খসড়া তালিকায় সেটি কমে হয়েছে ১২ কোটি ৫০ লক্ষ। সবথেকে বেশি যে বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার কমেছে, সেটি হল উত্তর লখনউ। প্রায় ২ লক্ষ। যে ৫০টি বিধানসভা আসনে ভোটার সংখ্যা লক্ষাধিক করে কমেছে, সেগুলির সিংহভাগই বিজেপির দখলে। তাই কংগ্রেসের দাবি, বিজেপির একের পর এক জয় ভুয়ো ভোটারে ভর করে। যদিও জানুয়ারিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের সিংহভাগ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার কারণ মাইগ্রেশন। অর্থাৎ, অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া এবং ডুপ্লিকেট নাম। সোজা কথায়, একই ব্যক্তির নাম দুই রাজ্যে রয়েছে। এই দাবি এবং পালটা দাবির প্রেক্ষিতে আজ প্রকাশিত হবে উত্তরপ্রদেশের এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা।