


নয়াদিল্লি: ইতিমধ্যেই বুঝেশুনে গ্যাস খরচের ‘পরামর্শ’ দিয়েছে কেন্দ্র। আর এবার যুদ্ধের আবহে জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগের সুর স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে। সোমবার লোকসভার পর মঙ্গলবার রাজ্যসভাতেও তাঁর বক্তব্য উঠে এসেছে আশঙ্কার সেই চিত্র। তারই মধ্যে এবার পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ, বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে বিকেল পাঁচটায় শুরু হবে বৈঠক।
ভোটমুখী কেরলে পূর্ব নির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাবেন বলে কেন্দ্রের ডাকা বৈঠকে থাকছেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার তিনি সংসদ চত্বরে সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কতটা প্রভাব ভারতে পড়তে চলেছে, বিরোধী নেতাদের উপস্থিতিতে সর্বদল বৈঠকে তা তুলে ধরবে সরকার। যদিও বিরোধী শিবির মনে করছে, তাদের দাবি মেনে সংসদে আলোচনা এড়াতেই সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। আর সেই যুক্তিতেই কেন্দ্রের সর্বদল বৈঠকে তৃণমূল অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। তাঁর তোপ, সংসদে অধিবেশন চলছে। পশ্চিম এশিয়ার সংকট নিয়ে সদনে আলোচনার পরিবর্তে সরকার কেন কনফারেন্স রুমে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকছে? এই সরকার আর কতদিন প্রশ্ন এড়িয়ে চলবে? পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে ভারতে তেল-গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি তুলেছে বিরোধী শিবির। এই ইস্যুতে সংসদের দুই কক্ষে বক্তব্যও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। তারই মধ্যে এবার এবিষয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। এর আগে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিবৃতি দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সরকারি সূত্রে খবর, বুধবারের সর্বদলীয় বৈঠকে পেট্রলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ পুরীর পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরও থাকবেন।