


ওয়াশিংটন: প্রাথমিকভাবে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরও হামলা ও পালটা হামলা। পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কার মাঝেই কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর। সোমবার ইরান ও আমেরিকা-দুপক্ষই চলতি সংঘর্ষ বন্ধে রাজি হয়েছে। এরফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ছন্দে ফিরতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে একথা জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, আজ মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে পারে যুযুধান দুই শিবির। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বৈঠকের ঘোষণা করেছেন। যদিও ইরান এব্যাপারে নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি। ইরানের উপ বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি ট্রাম্পের ঘোষণার আগে জানান, চলতি সপ্তাহে কাতারে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। ফলে সংশয়ের কাঁটা থেকেই যাচ্ছে। এরইমাঝে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, কাতারে বাজেয়াপ্ত থাকা ১২ বিলিয়ন ডলার তহবিলের মধ্যে এখনই ৬ বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানো হচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
দিনকয়েক আগে হরমুজের কাছে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়। এনিয়ে আমেরিকা-ইরানের মধ্যে দোষারোপের খেলা শুরু হয়েছিল। আমেরিকা ইরানের একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমা ফেলে। পালটা কুয়েত ও বাহরিনে মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করে হামলা চালায় তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, এভাবে চলতে থাকলে ইরানের কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। জবাবে ইরান জানায়, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলি এবার নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে। এরপরই সোমবার দুপক্ষই হামলা বন্ধের ব্যাপারে সহমত হয়েছে। এদিকে, রবিবারই দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লার ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। আজ কাতারের বৈঠক হলে সেই প্রসঙ্গও উঠতে পারে। হরমুজে জাহাজ চলাচল সহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে খবর। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তাদের প্রতিনিধি দলে থাকবেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত উইটকফ ও জারেজ কুশনার।