


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশজুড়ে বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে একের পর এক আত্মহত্যা, নয়তো আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটছে। নয়ডা, মুম্বই এবং পাটনা—গত কয়েকদিনে পরপর এমন তিনটি ঘটনা ঘটেছে দেশের এই তিন জায়গায়। এর মধ্যে দুটি ঘটনায় দুই জুনিয়র ডাক্তার মারা গিয়েছেন। একজন বেঁচে গিয়েছেন ভাগ্যক্রমে। ইউনাইটেড ডক্টর্স ফ্রন্ট সহ একাধিক চিকিৎসক সংগঠনদের অভিযোগ, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং কর্মস্থলে মানসিক অত্যাচার বন্ধে দিনের পর দিন ধরে তারা কেন্দ্রের কাছে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়ে এসেছে। তা না হওয়াতেই অকালে ঝরে যাচ্ছে একটার পর একটা মেধাবী প্রাণ।
সূত্রের খবর, একটি ঘটনা ঘটেছে নয়ডার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। জ্যোতি শর্মা নামে দ্বিতীয় বর্ষের এক দন্ত চিকিৎসক পড়ুয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পুলিস সুইসাইড নোটও উদ্ধার করে। সেখানে কলেজেরই দুই শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি মানসিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ এনেছিলেন।
দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে পাটনায়। এইমস পাটনার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিদ্যার প্রথম বর্ষের এক পিজিটির মৃতদেহ হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, ওই পিজিটি’র নাম ডাঃ যাদবেন্দ্র সাহু। তাঁর বাড়ি ছিল ওড়িশায়। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালে অতিরিক্ত কাজের চাপের জন্য মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন ওই ছাত্র। তৃতীয় ঘটনাটি রীতিমতো শোরগোল ফেলেছে মুম্বইয়ের জে জে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শিশু বিভাগের এক তৃতীয় বর্ষের পিজিটি সম্প্রতি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। এক্ষেত্রেও অভিযোগ উঠেছে, সেখানকারই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ইউডিএফ-এর সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন ডাঃ লক্ষ্য মিত্তল বলেন, প্রতিটি এমন ঘটনার যথাবিহিত তদন্ত দাবি করছি আমরা। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত বা জড়িত প্রত্যেকের শাস্তি চাই।