


নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল এলাকা। রবিবার শিলদা বাঁকুড়া ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে আদিবাসী সম্প্রদায় ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। মহিলারা প্লাকার্ড হাতে নিয়ে ন্যায় বিচারের দাবি তোলেন। বিক্ষোভ এতটাই বড়োসড়ো রূপ নেয় যে এদিন বিক্ষোভকারীরা বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করেন। গত রবিবার একটি স্কুল পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এক টোটো চালকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ী এলাকায়। গত মঙ্গলবার বেল পাহাড়ী থানায় অভিযোগের পর এথেলার বাসিন্দা রুপ কুমার দাস নামক এক ব্যক্তিকে গ্ৰেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার সকালে কিশোরীটি গ্ৰাম থেকে টোটোয় চেপে টিউশনি পড়তে যাচ্ছিল। টোটো চালক রাস্তায় টোটো থামিয়ে জঙ্গল নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে। ছাত্রিটি সোমবার টিউশনি ও স্কুলে না যাওয়ায় তাঁর মা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। পরিবারের সদস্যরা এরপরেই নিগ্ৰহের ঘটনা কথা জানতে পারেন। পরিবারের সদস্যরা বেলপাহাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে সেদিনই যুবককে গ্ৰেপ্তার করে। পরিবারের এক সদস্য এদিন বলেন, ‘এই ঘটনায় আমরা বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে মুখ না খুললেও আমাদের সমাজের নেতৃত্বকে বিষয়টি পরে জানানো হয়। দোষীর কঠোর শাস্তি দাবি করছি।'তৃত্বকে বিষয়টি পরে জানানো হয়।
ভারত জাকাত সান্তাড় পাঠুওয়ৌ রাজ্য কমিটির সদস্য সরক হেমব্রম বলেন, ‘অভিযুক্তকে শুধু গ্ৰেপ্তার করলেই হবেনা। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। জেলা তৃণমূল নেতা সুমন সাহু বলেন ‘অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা। জেলায় মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি’। বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু বলেন, ‘নিন্দনীয় একটি ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে যাতে কোন গাফিলতি না হয় তার জন্য বলা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অবশ্যই সুবিচার পাবেন’। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরেই অভিযুক্তে গ্ৰেপ্তার করা হয়। ধৃত যুবক জেলবন্দী রয়েছেন’।