


নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: বড় সাফল্য পুলিশের। বারাণসীর কাছে উত্তরপ্রদেশ এটিএস ও পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হল শীর্ষ মাওবাদী নেতা ব্রিজেস গঞ্জু ওরফে গোপাল সিং ভোক্তা। যার মাথার নাম ছিল ৩০ লক্ষ টাকা। আজ রামনগরের লঙ্কা ময়দানের কাছে এই এনকাউন্টারটি হয়। ঝাড়খণ্ডের চাতরা জেলার বাসিন্দা ব্রিজেশ ছিল থার্ড প্রেজেন্টেশন কমিটির কমান্ডার। এই সংগঠনটি ঝাড়খণ্ডের এক মাওবাদী সংগঠন। যা তৃতীয় প্রস্তুতি কমিটির সিপিআইএর একটি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
জানা গিয়েছে, মুঘলসরাইয়ের দিকে যাচ্ছিল ব্রিজেশ। ঠিক সেই সময়ে পুলিশ তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন। অভিযোগ, সেইসময় না থেমে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। তাঁরপরই শুরু হয় গুলির লড়াই। পুলিশের পাল্টা গুলিতে গুরুতর জখম হয় ব্রিজেশ। এরপর তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এনকাউন্টারের সময় পুলিশের দুই সদস্যও গুলিবিদ্ধ হন। উইপি এটিএসের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ বিপিন রাই এবং হেড কনস্টেবল নীতিন কৃষ্ণের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটে গুলি লাগে। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট থাকায় তাঁরা রক্ষা পান। একাধিক মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল ব্রিজেশের বিরুদ্ধে। সেই জেরে দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজর ছিল তাঁর উপর। পাশাপাশি টিপিসির কমান্ডার হিসেবে ঝাড়খণ্ডে তার ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছিল। এনকাউন্টারের পর ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি প্রমাণ সংগ্রহের কাজ শুরু করে পুলিশ। । ব্রিজেশের মাথার দাম ছিল মোট ৩০ লক্ষ। তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্যের জন্য ঝাড়খণ্ড সরকার মোট ২৫ লক্ষ পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। পাশাপাশি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএর তরফে ছিল আরও ৫ লক্ষ পুরস্কার।